আরে ধুর! এই খেলাটা তো একদম জমে গেছে। এখনই থামতে হবে নাকি! এই যে আবার ডাক শুরু—খেলাধুলা বন্ধ কর, খেতে আয়। ইশ! সময়টা যদি একটু থেমে যেত, তাহলে আর কেউ ডাকত না, আমি আরামসে খেলতে পারতাম। আরে! এইটা আবার কী! ছোট একটা বোতাম! ছক ছক করছে। খেলনার মতো দেখাচ্ছে। দেখি চাপ দিলে কী হয়। আরে বাপরে! সব থেমে গেছে! বাতাস নড়ছে না, সবাই পাথরের মতো দাঁড়িয়ে। হাহাহা! দারুণ তো! এখন কেউ আমাকে থামাতে পারবে না। এখন মজা হবে। খেলাধুলা থামানোর কোনো চিন্তা নাই। দৌড়াই, লাফাই—কী আরাম! আজকে তো আসলেই দিনটা আমার। সময় থেমে গেলে যে এত মজা, আগে জানতাম না। আহা… এখন তো খুব খিদে পেয়েছে। দেখি খাবারের বাটিটা। এই কী! নড়ছে না কেন? মুখে নিচ্ছি, কিন্তু খাওয়া যাচ্ছে না! আরে! খাবারও তো থেমে গেছে নাকি! এইটা তো ভাবিনি। এই যে ডাক আসছিল… এখন আর কোনো শব্দ নাই। সবাই একদম চুপ। ডাক দিচ্ছি, কিন্তু কেউ নড়ে না। এইটা কেমন লাগছে! মজা তো শেষ, এখন ভয় লাগছে। সময় থেমে থাকলে যে এমন একা লাগে, বুঝিনি। না না, আর ভালো লাগছে না। খেলাধুলা, মজা—সবই বৃথা। যদি সবাই আবার নড়ে, কথা বলে—এইটাই চাই। এই বোতামটা আবার চাপ দেই। আহ্! সব নড়ছে। শব্দ আসছে। আবার ডাক শুনছি। উফ্, কী শান্তি! বুঝে গেলাম—সময় থামানো মোটেও ভালো না। সময় থামানো ভয়ংকর। সময় থাকলেই জীবন চলে।