ভূতের দাঁত 👻 | Bengali Horror Story 2025

ভূতের দাঁত 👻 | Bengali Horror Story 2025

@Anish Roy
6Usos
0Comparte
0Me gusta
0Guardado por

সুজন তার বন্ধুর সাথে এসেছিল মুর্শিদাবাদের এক পুরনো জমিদার বাড়ি ঘুরতে। বাড়িটি এখন একটি গেস্টহাউস। রাত ১২টা। হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় সুজনের। ঘরের দরজার নিচ দিয়ে কেউ যেন কাগজ গড়িয়ে দিল। তাতে লেখা— "তুমি শুনতে পাচ্ছো না দাঁতের শব্দটা?" সুজন হাসল। ভেবে নিল, বন্ধু রাকেশ নিশ্চয়ই মজা করছে। রাত ১টা। এবার সত্যিই সে শুনল। ঘরের এক কোণ থেকে আসছে কচ কচ কচ কচ শব্দ। একটা দাঁত ভাঙা দাঁতের ঘষাঘষির মতো! কিন্তু ঘরের আলো জ্বলছে, কিছুই নেই সেখানে। সে আবার ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করল। হঠাৎ ঘরের বাতি নিভে গেল। আলো নিভতেই, এক ঠাণ্ডা নিঃশ্বাস তার ঘাড়ে। কেউ ঠিক পেছনে ফিসফিস করে বলল— "আমার দাঁত গুলো খুঁজে পেলে ফেরত দিও..." সকালে রাকেশকে সব বলল সুজন। রাকেশ মাথা নেড়ে বলল, “তুই জানিস না? এই ঘরেই এক বুড়ি থাকত – তার দাঁত ছিল না। শোনা যায়, সে সবের জন্য নতুন দাঁত খুঁজে বেড়ায়!” দুজনেই হাসল। কিন্তু দুপুরে সুজন পুরনো একটা আলমারিতে একটা জীর্ণ ফাইল পেল। ফাইলে লেখা – "আসামী – বিমলা দাসী" দোষ – “জীবিত ছেলেমেয়েদের দাঁত তুলে রাখা – লোক বলত সে নাকি ওগুলো দিয়ে নিজের দাঁত বানাতে চেয়েছিল…” ফাইলের পেছনে ছিল ৫টা ছেঁড়া দাঁত। তাতে রক্তের দাগ। রাতে আবার সেই শব্দ। এবার জানালার বাইরে একটা ছায়ামূর্তি। মাথা নিচু, হাত দুটো ঝুলে আছে। সুজন এগিয়ে গেল। ছায়াটা ধীরে ধীরে বলল— "তুই আমার দাঁত পেয়েছিস, ফেরত দে…" সে পেছনে তাকিয়ে দেখল—তার বন্ধুর মুখটা নেই! গোটা মুখটায় কেবল গর্ত। দাঁতের জায়গায় ফাঁকা! রাকেশের মুখ দিয়ে বের হল এক লম্বা ঠান্ডা নিশ্বাস— "আমার দাঁত ফেরত দে, নইলে তোরগুলো নেবো…" সুজন দৌড়ে বাইরে গেল। সেই ফাইল থেকে দাঁত গুলো নিয়ে ছুড়ে দিল জানালার বাইরে। হঠাৎ ভেতরে এক ঝাঁক হাওয়া, দরজা বন্ধ, বাতি নিভে গেল। চোখের সামনে মাটি থেকে উঠে এল সেই বুড়ি। মুখভর্তি চাকা চাকা দাঁত—সব একেক রঙের। সে চিৎকার করে উঠল – "তুই যেটা ছুঁয়েছিস, সেটা আমার ছিল না!" সুজন বুঝে উঠতে পারে না। তার চোখের সামনে নিজেই তার দাঁতগুলো একে একে খুলে পড়তে লাগল… পরের দিন সকালে স্থানীয় লোকজন খালি ঘর পায়। সুজন নেই। বিছানার পাশে এক থলে, তাতে লেখা – "এইবার দাঁতগুলো মেপে নিই…" থলের ভেতর ৩২টা দাঁত। তা’ছাড়া কিছু নয়।

bn
Público
Muestras
Aún no hay muestras de audio