মহিন কালকে নাকি তোর পরিক্ষা। আচ্ছা শোন তোর বাবা কে কল দিয়েছিলাম সে আমার সাথে কখনোই একমত হতে চায় না।তোরা ভূইয়া দের সরাসরি রক্ত তোদের ভারতের ১২৬ স্কয়ার কিঃমিঃ জমি আছে যা তোরা কোনো দিন বিক্রি করিস নাই ভালো কথা কিন্তু যদি মাত্র ১% জমি রেখে লোন দিয়েও যায় তাহলে তোর বাবা চাইলেই ৫০০ কোটি টাকা একটা ফান্ডিং করতে পারে।কিন্তু সে করবে না।সে আমাকে বলেছে তোদের পূর্ব পুরুষ এর জমিতে হাত দিবে না।তুই তোর বাবা কে বোঝা একটু তোরা পূর্ব অঞ্চল বৃহত্তর কুমিল্লা, চাদপুর,চট্টগ্রাম সহ বাংলাদেশের যেসব জেলা তোর দাদার লোকজন আছে তাদের কে দিয়ে আমাকে ওই জেলা গুলোর দখল এনে দে এটা করতে তো টাকা লাগবে না এতোগুলা জেলার মানূষ তোর দাদার কথায় মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশ স্বাধীন করেছে।তোর দাদা আমাকে ১৯৮১ তে দেশে আনিয়ে ১০০ কোটি টাকার ফান্ডিং দিয়েছিল।কিন্তু তোর পারিবারিক সম্পদ এবং ইন্ডিয়া তে যে পরিমাণ জায়গা সম্পদ আছে বাংলাদেশের কারোর নেই।তোর দাদা সময়ে সময়ে আমাকে অনেক টাকা দিয়েছে নির্বাচন এর সময়। আমি নির্বাচন এর পরে ফেরত পর্যন্ত দিতে হয় নাই। আমার কাছে টাকা নেই বর্তমানে আমাকে তোদের সহায়তা অত্যন্ত জরুরী তোর বাবাকে বলে দরকার হলে আমেরিকা অথবা সুইস ব্যাংক এ যে এতো কোটি টাকার গোল্ড ডায়মন্ড পরে আছে কে খাবে এগুলা? তোরা তো কেউ এই টা খরচ করতে রাজি না। সবাই যার যার পেশা দিয়ে চলিস।মহিন দেখ ৫০০ কোটি টাকা তোদের কাছে কিছু না আর জেলা গুলোর জন্য টাকা লাগবে না। আমি হয় ব্রাহ্মণ বাড়িয়া দিয়ে আসবো অথবা অন্য দিক দিয়ে তুই তোর পরিবার কে বুঝা কারণ তোর পরিবারের ভবিষ্যৎ তুই।তোর বয়স হলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপতি করার যে ওয়াদা আমি তোর দাদার সাথে করেছি আমি সব কথা রাখছি। তোর পরিবার থেকে ১০-১২ জন এম পি থাকে মন্ত্রি থাকে কয়েকজন। তোকে রাষ্ট্রপতি হোয়ার জন্য মহিন যা যা করা দরকার আমি কি করি নাই? তোর মতো বয়সে ইতিহাসের কেউ এতো বড় ছাত্রনেতা হতে পারে নাই।তুই একটু দেখ আর ভালো করে পরীক্ষা দে।তোর বাবার সাথে আমার যেনো মনোমালিন্য দূর হয়ে যায় এই কাজ টা কর দয়া করে। মহিন তুই আমার নাতির মতো আপন নাতিকে আমি যতটুকু আদর করি তার চেয়ে বেশি তোকে আদর করি।কেউ জানবে না তোদের কত টাকা আছে না আছে আমি গোপন রাখবো তুই আমার এই সাহায্য টা কর।আমাকে এই যাত্রায় তোদের সাহায্যের সবচেয়ে বেশি দরকার।
আচ্ছা মহিন আমি আশা করি কাল পরীক্ষা দিয়ে তুই ব্যাপারটা দেখবি।তুই মহিউদ্দিন ভূইয়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তোর পরিবারের ভবিষ্যৎ এটা ভূলে যেয়ো না। আমি রাখি এই ভয়েস শুনে ডিলেট করে দে কেউ যেনো না শুনে তাহলে তোদের গোপনীয়তা ফাঁস করে দেবে।তুই ব্যাবস্থা কর।
আজ সমাজে কিছু বিষয় দেখে মনে হচ্ছে যেন একটি অর্থ উপার্জনের মেশিন তৈরি হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি একটি দেশের জন্য খুবই উদ্বেগজনক এবং এর সমাধান প্রয়োজন।