একটা রাত্রি...
কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি যাবার শেষ ট্রেনটা ছেড়েছিলো রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে।
৭৭ জন যাত্রী নিয়ে ট্রেনটা প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে বেরিয়ে যায়।
সব ঠিকঠাকই ছিলো… কিন্তু মাঝপথে, ট্রেনটা হাওয়া হয়ে যায়!
না কোনো সিগন্যাল, না কোনো দুর্ঘটনা, না কোনো খবর…
এমনকি একটা স্ক্রু পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি।
পরের দিন থেকেই চারদিকে হইচই পড়ে যায়।
মিডিয়া, পুলিশ, রেল কর্তৃপক্ষ — কেউ কিছুই খুঁজে পায় না।
৭৭ জন মানুষ আর একখানা ট্রেন — কোথায় গেল?
বছর কেটে যায়… দশ বছর… তারপর বিশ বছর।
ঠিক একই দিনে, একই সময়ে, ২০ বছর পর —
একই ট্র্যাকে হঠাৎ আবার সেই ট্রেনটা দেখা যায়!
ট্রেন একদম আগের মতোই।
ইঞ্জিন, কোচ, সবকিছু ঠিকঠাক… এমনকি ভেতরের যাত্রীরা পর্যন্ত আগের মতোই আছে।
কিন্তু তাদের চোখ-মুখে একটা অদ্ভুত ভয়।
তারা বলে, “আমরা তো গতকাল রাতেই রওনা দিয়েছিলাম…!”
তাদের মোবাইল ফোন, পত্রিকা, ঘড়ি — সব ১৯৯৯-এর ডেট দেখাচ্ছে!
বিজ্ঞানীরা হতবাক।
তারা ট্রেনটাকে আলাদা করে গবেষণায় নিয়ে যায়।
ধীরে ধীরে বের হতে থাকে একের পর এক গোপন তথ্য…
সম্ভবত ট্রেনটা টাইম-রিফ্টের মধ্যে আটকে পড়েছিলো…
একটা টাইম লুপ? না কি অন্য কোন জগত?
আর সবচেয়ে ভয়ের কথা?
যাত্রীরা ধীরে ধীরে বদলে যেতে শুরু করে…
তাদের শরীরে দেখা যাচ্ছে এমন কিছু পরিবর্তন,
যা মানুষের দেহে আগে কখনো দেখা যায়নি।
সত্যিটা আজও কেউ জানে না।
আপনার বাসায় যদি কেউ অচেনা লোক আসে, তাহলে প্রথমে জানালা দিয়ে দেখে নিন। দরজা খোলার আগে অবশ্যই পরিচয় জিজ্ঞেস করবেন। নিরাপত্তার জন্য সব সময় সতর্ক থাকা জরুরি।