Shakil Ahmed
par Shaon Ahmedআসসালামু আলাইকুম, আমি মাওলানা আশরাফ আলী হুজুরের কল সেন্টার থেকে শাকিল আহমেদ বলছি আপনাকে কিভাবে সহযোগিতা করতে পারি হযরত?
এ পর্যায়ে স্বাভাবিক ভাবে কথাবার্তা হওয়ার পরে যদি উনি বাকিতে নিতে চান তখন আমি বলব যে-
হযরত বাকিতে দেওয়াটা আমাদের নিয়ম না দেওয়াটাই বরং অপরাধ। আমরা যে বাকিতে দিয়ে থাকি ওয়েবসাইটে যথেষ্ট প্রমাণ, নাম- ঠিকানা, নাম্বার আছে এবং সাক্ষী আছে কারণ সাক্ষী ভিডিও পাঠিয়েই সাধারণত বাকিতে নিয়ে থাকে। তবে আমরা বাকি, নগদ যেই নিক, মানুষের শারীরিক অবস্থা বা রোগ বুঝে দেই। যে তার ক্ষেত্রে আমাদের ওষুধ কাজ করবে কিনা। তা না হলে তো ওয়েবসাইট থেকে নাম্বার নিয়ে মানুষকে ফোন দিয়ে জানতে চাইলো যে তিনি উপকার পাইছেন কিনা। তখন যদি তিনি বলেন যে না পায় নাই তাহলে তো আমাদের মার্কেটিংও নষ্ট হল টাকাও গেল!
তো এজন্য শুরুতে আপনার শারীরিক অবস্থা জানার জন্য আপনাকে কিছু প্রশ্ন করি তার প্রেক্ষিতে তখন আপনাকে বিস্তারিত জানাবো ইনশাল্লাহ যে আপনি বাকিতে বা নগদে কিভাবে নিতে পারেন।
তো এরপর ওনাকে জিজ্ঞেস করবো যে আপনি কি বিবাহিত না অবিবাহিত? যদি অবিবাহিত হয় তবে জানতে চাইবো ইদানিং বিয়ে করবেন নাকি অনেক পরে? তখন তখন তিনি তার বিষয়ে জানাবেন। তো যদি তিনি অবিবাহিত হয়ে থাকেন বা বিবাহে অনেক দেরি থাকে তখন তাকে বলবো যে আপনি যদি সবার করতে পারেন তবে আপনি নিতে পারেন ইনশাল্লাহ। কারণ ওষুধ খাওয়া শুরু করলে আপনার শুক্রানু বৃদ্ধি হওয়া শুরু করবে উত্তেজনা বাড়বে! তখন দুর্ঘটনা ঘটনার সম্ভাবনাই বরং বেশি! এমন হতে পারে যে সুস্থ হবার পরিবর্তে বড় রোগী হয়ে যাচ্ছেন! আর ইদানিং বিয়ে করলে আপনি নিতে পারেন, ইনশাআল্লাহ।
আর যদি উনি বিবাহিত হন তো তখন তার ক্ষেত্রেও কিছু বিষয় থাকবে। তখন তাকে জিজ্ঞেস করবো , যে আপনার স্ত্রী কি সাথে থাকে না দূরে থাকে? দূরে থাকলে কেমন যাওয়া আসা করেন।
তো এরপর তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব যে ব্যয্যিক সমস্যাগুলো যেমন ডায়াবেটিক্স,হাই প্রেশার,এলারজি, হার্টে রিং পরান,কিডনির রোগী ইত্যাদি সমস্যা গুলো আছে কিনা। অর্থাৎ, বড় ধরনের কোন রোগ আছে কিনা এগুলা জেনে নিব। কারণ শরীরের ভেতরে বড় কোন রোগ থাকলে সমস্যার সমাধান করা হলেও সেটা শারীরিক অন্যান্য রোগের জন্য ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
তারপর আরো জেনে নেব যে, উনার হজম ঠিক আছে কিনা, ঘুম ঠিকঠাক হয় কিনা বা টাইম মতো ঘুমান কিনা? টাইম মত যদি পর্যাপ্ত না ঘুমিয়ে থাকেন তবে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমানর জন্য অনাকে পরামর্শ দিবো।কারণ, দীর্ঘস্থায়ী সমাধান পেতে হলে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।
তারপর আরো জানাবো যে, আমার আপাতত আপনার ভেতরে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করি ইনশাআল্লাহ, তবে আপনার ভেতরের সমস্যার সমাধান না করলে আপনার দীর্ঘস্থায়ী সমাধান বেশিদিন টিকবে না। এর জন্য আপনি আমাদের লিভার টনিক নিয়মিত খেয়ে যেতে পারেন।লিভার টনিক দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য খুব ভালো কাজ করে।
এরপর ওনার বর্তমান সহবাসের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইব, যে বর্তমানে আপনার টাইমিংঅনার্ উত্তেজনা কেমন থাকে? অর্থাৎ বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। তো এরপর আমাদের ট্রেনিং অনুযায়ী তাকে পরামর্শ দিবো।
এবং এর থেকে রোগীর অবস্থা যাচাই করে নিয়ে তাকে জানাবো যে তিনি সহয নাকি কঠিন রোগী। যেমন, বিবাহের পূর্ব থেকে যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সে নিজের ক্ষতি করেছে, তো তাদের জন্য টাইম বেশি লাগবে। যাদের বিবাহের পর সাধারণভাবে শক্তি কমে গেছে তাদের ক্ষেত্রে টাইম কম লাগবে। রোগীর অবস্থা ভেবে তাকে পরামর্শ দিব যে, ইনশাআল্লাহ আপনার ক্ষেত্রে ওষুধ এরকম কাজ করবে। যে, একটু সময় বেশি লাগবে বা দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।
তো এরপর তার সাথে ওষুধ নিয়ে কথা বলতে হবে এভাবে যে, হুজুর যে স্যাম্পল গুলা দেন তার মাঝে ৫০০ টাকার স্যাম্পল সাধারণত বাকিতে দেন এবং চেম্বারে আসলে ১৫০০ টাকার স্যাম্পল টা বাকিতে নেওয়ার সুযোগ থাকে। আর স্থায়ী ওষুধ তো আলাদা বিষয়।
এ পর্যায়ে কিভাবে ওষুধ খাবে সেটা নিয়ে তাকে পরামর্শ দিব। তাকে জানাবো যে, রোগী হয়ে থাকলে এক চামচ বা রোগী না হলে আরো কম পরিমাণ জিব্বায় রেখে পানি দিয়ে খেয়ে ফেলবেন। খাবার পাঁচ ছয় ঘন্টা পর আপনার শুক্রানো অনেক ঘন হবে, যার ফলে আপনি সহবাসে তখন অনেক টাইম পাবেন। এই অবস্থা পরবর্তী ২,৩ দিন বা ব্যক্তিবেদে ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এটাই মূলত আমাদের স্যাম্পলের গুনাগুন। সাথে যদি একটু হালুয়াও খেয়ে নেন তবে ৬-৭ ঘন্টা পর এমন উত্তেজনা আসবে এবং লিঙ্গ শক্ত হবে যে ,এটাও ব্যক্তিভেদে দিন দুই, তিন বা সাত দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে।
তাকে আরও জানানো যে, স্যাম্পল আসলে নিয়মিত খাবার প্রয়োজন হয় না মাঝে মাঝে খেলেই হয়। যেমন, ইন্টারকোর্সের দিন পাচ, ছয় ঘন্টা পূর্বে বা সমস্যা যদি বেশি থাকে তবে আগের দিনও একটু খেয়ে নিতে পারেন। তো স্যাম্পল খাবার পর যদি আপনার আস্থা চলে আসে যে হুজুরের স্যাম্পল যেহেতু কার্যকরী তাহলে স্থায়ী সমাধানের ফাইলও অবশ্যই আরও অনেক বেশি কার্যকরী হবে। তখন আপনি স্থায়ী সমাধানের জন্য আমাদের 5000 টাকার স্থায়ী সমাধানের ফাইল নিতে পারেন।
এরপর তাকে জানানো যে, ৫০০ টাকার সেম্পল বাকিতে নিলে অনাকে একটা সাক্ষী ভিডিও দিতে হবে এভাবে যে, আমি ৫০০ টাকার স্যাম্পল বাকিতে নিচ্ছি ,উপকার পেলে অবশ্যই টাকা দিব, আর যদি না দেই তবে আখেরাতে কঠিন দায়ভার থাকবো, আমার সমস্ত নেকি হুজুর নিয়ে নিবেন অথবা নেকি না থাকলে হুজুরের গুনাহ গুলো আমার কাছে চলে আসবে।
এরপর অনাকে তাকে ওষুধ পাঠানো হবে।
এবং তাকে বলা যে উনি যে, আপনি যে সাক্ষী দিচ্ছেন, সেটা অনলাইনে আমাদের ওয়েবসাইটে থাকবে। আপনার নাম ঠিকানা নাম্বার ইউজ করা হবে অন্যদেরকে তো বোঝাতে হবে যে আমরা বাকিতে দেই।
তাকে আরো জানাবো যে, তিনি যদি ৫০০ টাকার স্যাম্পল নগদে নেন তাহলে আমাদের যে কোন একটি সুপার ফুড যেমন বিট রুট,চিয়া সিড বা মরিঙ্গা পাউডার ফ্রিতে নিতে পারবেন। আর যদি যদি গ্যারান্টি সহ নেন তবে, প্রোডাক্ট কাজ না করলে ফেরত নেবার গ্যারান্টি পাবেন। এক্ষেত্রে আপ্নাকে একটি ভিডিও করে পাঠাতে হবে, যাতে বলবেন যে্,আমি হুজুরের থেকে ওষুধ নিয়েছিলাম কাজ করে নাই এখন আমার টাকা ফেরত চাই। যদি মিথ্যা বলে থাকি তবে আখেরাতে কঠিন দায়ী থাকবো। আপনার এই ভিডিও কোথাও ছাড়া হবে না সাক্ষী হিসেবে জমা করে রেখে দেওয়া হবে। এবং ভিডিওটা ম্যানেজারকে পাঠালে, উনি দেখে বিকাশে আপনাকে টাকা পাঠিয়ে দিবেন। কারণ আমাদের কল সেন্টারের ছেলেরাও তো মিথ্যা বলতে পারে যে, অমুকের কাজ করে নাই তাই অমুকের টাকা পাঠিয়ে দিন। তো এই ঝামেলা যেন তারা করতে না পারে এজন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গ্যারান্টি ছাড়া নিলে সাথে সুপার ফুড পাবেন তবে এটা নতুন রোগীদের জন্য। আর যদি কেউ ১৫০০ টাকার সাম্পল নেয় তবে তার সাথে লিভার টনিক বা হরমন বুস্টার ফ্রিতে পাবেন। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য লিভার টনিক নিয়মিত খেয়ে যেতে হবে এতে ওষুধ কাজ ভালো করবে। স্থায়িত্বটা ভালো থাকবে। লিভারটনিক আপনি নিজে নিয়মিত খেতে পারেন এবং বন্ধুবান্ধবদেরও সাজেস্ট করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।
এরপর স্যাম্পল খাওয়া শুরু পর কাজ করতে শুরু করলে তাকে টাকা জমানোর পরামর্শ দেওয়া এবং স্থায়ী ওষুধ নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া ,ইনশাআল্লাহ।